আইসিটি ক্যারিয়ার ক্যাম্প ২০১৬ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ রূপকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্যকে সামনে রেখে সরকার একুশ শতকের উপযোগী দক্ষ মানব সম্পদ গড়ে তুলছে। সে লক্ষ্যে বিশ্বমানের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তথ্যপ্রযুক্তিতে প্রশিক্ষিত জনবল তৈরি করা হচ্ছে । দেশের শিক্ষিত তরুণ-তরুণীদের এ সুযোগকে কাজে লাগানোর জন্য এগিয়ে আসতে হবে। গত ২৭শে অক্টোবর পঞ্চগড় জেলা অডিটোরিয়ামে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অধীন বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের (বিসিসি) লিভারেজিং আইসিটি ফর গ্রোথ গভর্নেন্স (এলআইসটি) প্রকল্প আয়োজিত আইসিটি ক্যারিয়ার ক্যাম্প ২০১৬ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বনমানী ভৌমিক, পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক অমল কৃষ্ণ মন্ডল, মকবুল রহমান সরকারী কলেজের সহকারী অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো: সায়েদুল হক, এটুআই প্রোগ্রাম-এর পিপলস্ পারসপেকটিভ স্পেশালিস্ট নাইমুজ্জামান মুক্তা, এলআইসিটি প্রকল্পের কম্পোনেন্ট টীম লিডার সামি আহমেদ, এলআইসিটি প্রকল্পের কমিউনিকেশন স্পেশালিস্ট হাসান বেনাউল ইসলাম, ওমেন ইন ডিজিটাল-এর ফাইন্ডার আখিয়া নিলা, ইএন্ডওয়াই প্রতিনীধি সুরাইয়া নারায়ন। এছাড়াও কলেজের বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী এই অনুষ্ঠানে যোগ দান করেন।
বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, সরকার ২০২১ সালের মধ্যে আইটি পেশাজীবির সংখ্যা বর্তমান সাত লাখ থেকে ২০ লাখে উন্নীত করতে চায়। এজন্য নেওয়া হয়েছে নানা কার্যক্রম। আইটি শিল্পের চাহিদা অনুযায়ী এলআইসিটি প্রকল্পের মাধ্যমে আইটিতে বিশ্বমানের প্রশিক্ষণে ৪৫ হাজার দক্ষ মানব সম্পদ গড়ে তুলছে। দেশব্যাপী প্রশিক্ষণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এছাড়াও লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং ডেভেলপমেন্ট প্রকল্পের মাধ্যমে ৫৫ হাজার ফ্রিল্যান্সার তৈরির প্রশিক্ষণ চলমান রয়েছে। বিসিসিতে অব্যাহতভাবে তথ্যপ্রযুক্তির নানা বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে।

বক্তারা কলেজের শিক্ষিত তরুণ-তরুণীদের তথ্যপ্রযুক্তিতে প্রশিক্ষণ গ্রহণের জন্য এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ায় অবদান রাখতে হলে শিক্ষিত তরুণ-তরুণীদের তথ্যপ্রযুক্তিতে প্রশিক্ষিত হওয়া ছাড়া কোন বিকল্প নেই।  হাসান বেনাউল এর পরিচালনায় প্যানেল আলোচনায় অন্যান্য বক্তারা আইটিতে অমিত সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে দেশের শিক্ষিত তরুণ-তরুণীদের আইসিটিতে ক্যারিয়ার গড়ার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে অনলাইন কুইজে অংশ গ্রহণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে থেকে একজন বিজয়ী শিক্ষার্থীকে ও অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে থেকে একজন শিক্ষার্থীকে একটি করে স্মার্ট মোবাইল ফোন পুরষ্কার হিসাবে দেওয়া হয়।